প্রাচীন পুরাণে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়ার উল্লেখ রয়েছে কি?
ভারতীয় পুরাণগুলির মধ্যে পৌরানিক কাহিনীর আড়ালে লুকিয়ে রয়েছে কত অজানা রহস্য, কত না-জানা কথা, কত গোপন তথ্য। আজ এমনি বিষয় আপনাদের সামনে উপস্থাপন করতে চলেছি।
এই পৃথিবীতে রয়েছে অজস্র জীব। হাজার হাজার প্রজাতির প্রাণী এবং উদ্ভিদ। এদের মধ্যে কিছু জীব আকারে অনেক বড়। আবার কিছু জীব অতি ক্ষুদ্র। আবার এমন অজস্র জীব আমাদের আশে পাশে ছড়িয়ে রয়েছে যাদের আমরা খালি চোখে দেখতে পাইনা। যেমন, ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ইত্যাদি। মানব বিজ্ঞানচর্চার ইতিহাসে ব্যাকটেরিয়ার প্রথম সন্ধান মেলে ১৭শতকে। ভাইরাস আবিস্কার হয় ১৯ শতকের শেষের দিকে। জানলে অবাক হবেন, আজ থেকে প্রায় ২৫০০ বছর আগে লেখা বিষ্ণুপুরাণে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস জাতীয় জীবের উল্লেখ মেলে।
বিষ্ণুপুরাণের সপ্তম অধ্যায় অর্থাৎ "যমগীতা" নামক অধ্যায়টির সূচনায় দ্বিতীয় থেকে চতুর্থ শ্লোকে লেখা আছেঃ
saptadvIpAni pAtAlavIthyashcha sumahAmune |
saptalokA ye.antarasthA brahmANDasyasya sarvataH || 2 ||
sthUlaiH sUkShmaistathA sthUlasUkShmaiH sUkShmasthUlaistathA |
sthUlAsthUlataraishchaitatsarvaM prANibhirAvRRitam || 3 ||
a~NgulasyAShTabhAgo.api na so.asti munisattama |
na santi prANino yatra karmabandhanibandhanAH || 4 ||
সপ্ত দ্বীপ, সপ্ত পাতাল, সপ্ত লোক-এই সব স্থান যা ব্রহ্মান্ডের অন্তর্গত- তা স্থূল, সূক্ষ্ম, সূক্ষ্মতর, সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম এবং স্থূল, স্থূলতর জীবে পরিপূর্ণ।। ২-৩।।
এক আঙুলের অষ্টাংশ এমন কোনো স্থান নেই যেখানে কর্মবন্ধনে আবদ্ধ কোনো জীব বাস করে না।।৪।।
এই শ্লোকগুলি বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে, জল, স্থল, বায়ু (পাতাল, দ্বীপ, লোক) এই তিন মাধ্যমেই জীব রয়েছে। কোনো জীব মানুষের আকারের চেয়ে বড় (যেমনঃ হাতি, আম, জাম জাতীয় গাছ), কোনো কোনো জীব সূক্ষ্ম (যেমন পিঁপড়ে, মাছি, শ্যাওলা)। আবার কোনো কোনো জোব আরো সূক্ষ্ম (যেমন, ছোট ছোট পোকামাকড়, ফাঙ্গাস)। কিছু জীব এসবের থেকেও সূক্ষ্ম। যেমন- ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস। বিজ্ঞানের বই থেকে আমরা পড়েছি, আমাদের আশে পাশে সর্বত্র নানা ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ঘুরে বেড়াচ্ছে। এদের কিছু জীব বায়ুবাহিত, কিছু জলবাহিত আবার কিছু অন্যবাহকদেহে বেঁচে থাকে। কিছু ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ক্ষতিকর হলেও বেশীরভাগই ক্ষতি করে না। খালি চোখে দেখা যায়না বলে আমরা এদের উপস্থিতি বুঝতে পারি না। কিন্তু আমাদের চারিদিকে এমন অজস্র মাইক্রোস্কোপিক জীব ঘুরে বেড়াচ্ছে। যমগীতার চতুর্থ শ্লোকে এরকমই এক ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে, আঙুলের অষ্টভাগের সমান এমন কোনো স্থান নেই যেখানে প্রাণের সন্ধান পাওয়া যাবে না।
এই বিষয়ে আপনাদের মতামত জানাতে ভুলবেন না।
এই পৃথিবীতে রয়েছে অজস্র জীব। হাজার হাজার প্রজাতির প্রাণী এবং উদ্ভিদ। এদের মধ্যে কিছু জীব আকারে অনেক বড়। আবার কিছু জীব অতি ক্ষুদ্র। আবার এমন অজস্র জীব আমাদের আশে পাশে ছড়িয়ে রয়েছে যাদের আমরা খালি চোখে দেখতে পাইনা। যেমন, ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ইত্যাদি। মানব বিজ্ঞানচর্চার ইতিহাসে ব্যাকটেরিয়ার প্রথম সন্ধান মেলে ১৭শতকে। ভাইরাস আবিস্কার হয় ১৯ শতকের শেষের দিকে। জানলে অবাক হবেন, আজ থেকে প্রায় ২৫০০ বছর আগে লেখা বিষ্ণুপুরাণে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস জাতীয় জীবের উল্লেখ মেলে।
বিষ্ণুপুরাণের সপ্তম অধ্যায় অর্থাৎ "যমগীতা" নামক অধ্যায়টির সূচনায় দ্বিতীয় থেকে চতুর্থ শ্লোকে লেখা আছেঃ
saptadvIpAni pAtAlavIthyashcha sumahAmune |
saptalokA ye.antarasthA brahmANDasyasya sarvataH || 2 ||
sthUlaiH sUkShmaistathA sthUlasUkShmaiH sUkShmasthUlaistathA |
sthUlAsthUlataraishchaitatsarvaM prANibhirAvRRitam || 3 ||
a~NgulasyAShTabhAgo.api na so.asti munisattama |
na santi prANino yatra karmabandhanibandhanAH || 4 ||
সপ্ত দ্বীপ, সপ্ত পাতাল, সপ্ত লোক-এই সব স্থান যা ব্রহ্মান্ডের অন্তর্গত- তা স্থূল, সূক্ষ্ম, সূক্ষ্মতর, সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম এবং স্থূল, স্থূলতর জীবে পরিপূর্ণ।। ২-৩।।
এক আঙুলের অষ্টাংশ এমন কোনো স্থান নেই যেখানে কর্মবন্ধনে আবদ্ধ কোনো জীব বাস করে না।।৪।।
এই শ্লোকগুলি বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে, জল, স্থল, বায়ু (পাতাল, দ্বীপ, লোক) এই তিন মাধ্যমেই জীব রয়েছে। কোনো জীব মানুষের আকারের চেয়ে বড় (যেমনঃ হাতি, আম, জাম জাতীয় গাছ), কোনো কোনো জীব সূক্ষ্ম (যেমন পিঁপড়ে, মাছি, শ্যাওলা)। আবার কোনো কোনো জোব আরো সূক্ষ্ম (যেমন, ছোট ছোট পোকামাকড়, ফাঙ্গাস)। কিছু জীব এসবের থেকেও সূক্ষ্ম। যেমন- ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস। বিজ্ঞানের বই থেকে আমরা পড়েছি, আমাদের আশে পাশে সর্বত্র নানা ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ঘুরে বেড়াচ্ছে। এদের কিছু জীব বায়ুবাহিত, কিছু জলবাহিত আবার কিছু অন্যবাহকদেহে বেঁচে থাকে। কিছু ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ক্ষতিকর হলেও বেশীরভাগই ক্ষতি করে না। খালি চোখে দেখা যায়না বলে আমরা এদের উপস্থিতি বুঝতে পারি না। কিন্তু আমাদের চারিদিকে এমন অজস্র মাইক্রোস্কোপিক জীব ঘুরে বেড়াচ্ছে। যমগীতার চতুর্থ শ্লোকে এরকমই এক ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে, আঙুলের অষ্টভাগের সমান এমন কোনো স্থান নেই যেখানে প্রাণের সন্ধান পাওয়া যাবে না।
এই বিষয়ে আপনাদের মতামত জানাতে ভুলবেন না।

Comments
Post a Comment